আমতলীতে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, জোড় করে ছবি তুলে ভাইরাল করার হুমকি দেওয়ায় শারমিন আক্তার(১৮) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সেকান্দার খালি গ্রামে । পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, খেপুপাড়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী, শারমিন আক্তার কে কলাপাড়া উপজেলার রজপাড়া গ্রামের সাইদুল হাওলাদারের ছেলে পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ পড়ুয়া আরাফাত প্রেমের প্রস্তাব দেয়। পাশাপাশি আরাফাতের বন্ধু আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সেকান্দারখালি গ্রামের শফি হাওলাদারের ছেলে আমতলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র জিসান ও শারমিন এর ছোট বোন সামিয়াকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সামিয়া প্রত্যাক্ষান করে । এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরাফাত এবং জিসান জোরপূর্বক শারমিনকে একটি অটো রিক্সা
য় উঠিয়ে ছবি তুলে এবং এই বলে শাসিয়ে দেয় আমাদের দুই বন্ধুর সাথে তোরা দুই বোন প্রেম না করলে তোদের ছবি ভাইরাল করে দেবো এবং জিসান শারমিনের বাড়ি এসে এই বলে হুমকি দিয়ে যায়। আরাফাতের সাথে শারমিনের বিবাহ না দিলে তোদেরকে খুন করে ফেলব বলে শাসিয়ে যায় জিসান ।শারমিন তার ছবি ভাইয়ালের হুমকি ও লজ্জার কারনে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সোমবার সন্ধ্যা ৬,৩০ মিনিটের সময় ঘরের পেছনে বাথরুমের ভিতরে গলায় ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করে। সজনরা উদ্ধার করে তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।লাশ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অপরাধে অভিযুক্তদের আসামি করে আমতলী থানায় মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শারমিনের বাবা আব্দুস সালাম হাওলাদার। শারমিনের মা মুন্নি বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মাইয়াডা ওদের জন্য আত্মহত্যা করেছে, আমি এর বিচার চাই।
