মিরপুরে হজরত শাহ আলী (র.) মাজারে হামলার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী দলের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওসি জানান, গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে রাসেল ও আজম এজাহারভুক্ত, আর তৃতীয় আরমান দেওয়ান অজ্ঞাত আসামি। এদের রাজনৈতিক পরিচয় অনুযায়ী তারা জামায়াতের নেতাকর্মী।
গতকাল শনিবার মাজারের নিয়মিত ভক্ত রেসমি বেগম ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত জামায়াত ইসলামী দলের ১০০–১৫০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এজাহারে নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—মো. আলী আকবর (৪৮), মো. বাপ্পা (৩৫), মো. বাবু (৪৫), মো. কাউসার (২৬), আজম (৪০), শেখ মো. রাসেল (৩৮), কাজী জহির (৫২), মো. মিজান (৩৮) এবং কাজী পনির (৫০)।
বাদী জানান, গত ১৪ মে রাতে মাজারে জিয়ারত ও মানতের সময় আসামিরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢুকে জিয়ারতকারী ও মানতকারীদের ওপর হামলা চালান। এতে ভক্তরা গুরুতর জখম হন, মাজারের গাছের লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং মোমবাতির প্লেট ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত পৌঁছেছে।
বাদী জানান, তিনি হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে তারা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং শ্লীলতাহানী চালায়। এক আসামি লাঠি দিয়ে তার মাথায় গুরুতর আঘাত করে। এছাড়া হামলাকারীরা জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা চুরি করে।
উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার বলেন, “মামলার বিষয়ে আমরা কাজ করছি এবং ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
কুশল/সাএ