
শিক্ষার্থী বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তর করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে নীলফামারীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং’ প্রকল্পের শিক্ষার্থীদের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিচালিত এ পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যথেকে প্রাথমিকভাবে ৭৫ জনকে বাছাই করা হবে। লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে ছয়টি ব্যাচে ৩৭৫জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। ফলে ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এ প্রকল্প তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) ও যুগ্ম সচিব মানিকহার রহমান। এ সময় তিনি বলেন, তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে সরকার কাজ করছে।.
এছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) নুজহাত তাসনীম আওন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-পরিচালক মোঃ দিলগীর আলম, সহকারী পরিচালক মোঃ হাসান আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেড নীলফামারী কো-অর্ডিনেটর ছবি রানী, সহকারি কো-অর্ডিনেটর ইসরাত তামান্না, প্রশিক্ষক সাব্বির আহমেদ, প্রশিক্ষক আব্দুল হালিম, প্রশিক্ষক মো: রেজাউল করিম হীরা, সহকারী প্রশিক্ষক সৈকত জামিল।
শনিবার সারাদেশের ন্যায় একযোগে নীলফামারীতে ভর্তি পরীক্ষা এবং রবিবার মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের নীলফামারী জেলার আয়োজনে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের হল রুমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষার্থী আয়শা সিদ্দিকা আনন্দী ও রুনা আক্তার জানান, ফ্রিল্যান্সিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও সফট স্কিল বিষয়ক তিন মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবো।
ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড এর কো-অর্ডিনেটর ছবি রানী জানান, প্রকল্পটির মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে আত্মকর্মসংস্থান, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তা ইতোমধ্যেই দৃশ্যমান ফলাফল দিতে শুরু করেছে। সরকারের প্রত্যক্ষ তদারকির ফলে প্রকল্পটি দেশে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা তৈরির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।