১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ’২৪ এর জুলাই অভ্যুত্থান এবং ফিলিস্তিন-গাজা থেকে লেবানন, ইউক্রেন-রাশিয়ার রণাঙ্গন, সুদান কিংবা ইরান-আমেরিকার ক্ষমতার লড়াইয়ে ঝরে যাওয়া অসংখ্যা নিষ্পাপ প্রাণের বিচারের দাবি এবং স্মরণে রাজধানীতে ‘লালযাত্রা’ করেছে নাট্য সংগঠন প্রাচ্যনাট।
বুধবার (২৫ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর থেকে ‘লালযাত্রা’ শুরু হয়। শুরুর আগে চত্বরে ’৭১ এর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার শিকার নিরস্ত্র বাঙালিদের স্মরণে পথনাট্য অনুষ্ঠিত হয়।
পথনাট্য শেষে সেখান থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি চিরন্তন চত্বর (ফুলাররোড সড়কদ্বীপ) পর্যন্ত এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
পদযাত্রার সম্মুখে ছিলেন লাল-কালো শাড়ি পরা এক নারী। তার কাপড়ের দীর্ঘ আঁচল নিয়ে নাট্য সংগঠনটির সদস্যরা এই পদযাত্রা করেন। প্রাচ্যনাটের কর্মী ও ভক্ত-অনুরাগীরা গায়ে কালো পোশাক ও কপালে লাল তিলক এবং লাল ফোটা দিয়ে পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
পদযাত্রা চলাকালে ঢাক-ঢোল, তবলা, বাঁশি, গিটারসহ বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্রের তালে-তালে গাওয়া হয় সঙ্গীতজ্ঞ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ে লিখা ও সুর করা ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’সহ দেশাত্মবোধক গান। পরে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে শহিদদের প্রতি সম্মানার্থে প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের লালযাত্রা।
