বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলা
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তথ্য-প্রযুক্তি
  8. দেশজুড়ে
  9. প্রবাস
  10. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  11. বিনোদন
  12. মতামত
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা

সৈয়দপুরে ‘লোগোসংবলিত ভিডিও’ চ্যানেলের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন, সাংবাদিক নাকি কর্মচারী?

ঢাকা ইনফো২৪
জুলাই ৩০, ২০২৬ ১:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সৈয়দপুরে ‘লোগোসংবলিত ভিডিও’ চ্যানেলের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন, সাংবাদিক নাকি কর্মচারী?

প্রতীকী ছবি

X

প্রতীকী ছবি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে দুই যুগেরও অধিক সময় ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন ব্যক্তি যারা নিজেরা সরকারি সুযোগ-সুবিধাধারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকসহ সরকারি-আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তারা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের স্থানীয় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন ? তারা চাকরি করে কিভাবে সাংবাদিক সেজেছেন তা’নিয়ে এলাকার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। 

দেড়যুগ আগেও লক্ষ্য করা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মচারি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ বিভিন্ন সরকারি-আধা সরকারি দপ্তরের বেশ ক’জন ব্যক্তি চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে আসছিলেন। এমনকি প্রেসক্লাবের কমিটি করতেও এসব কর্মচারিদের দাপট ও ভুমিকা ছিল ব্যাপক কারণ এনারা এবং এনাদের দোসররা নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য এক হয়ে প্রেসক্লাব পরিচালনা সহ কমিটি গঠনে একাট্টা ছিল। 

এইরকম প্রেসক্লাবের নির্বাচন নিয়ে ২০১২ সালে ভোটার তালিকার বিষয় নিয়ে এক অভিযোগ নীলফামারী জেলা জজ আদালতে গড়ায়। তখন সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে বাদি ও বিবাদিপক্ষের শুনানি শেষে মাননীয় আদালতের বিচারক এক রায়ে ১৯৭৯ সালের সার্ভিস রুলের ২১ ও ২২ ধারা মতে সরকারি-আধা সরকারি কর্মচারি যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন তাদের সাংবাদিকতা দুরের কথা এনারা টেম্পোরারি কোনো কাজও করতে পারবেন না এবং তাদেরকে প্রেসক্লাবের সদস্য করা অন্যায় হয়েছে বলে সেইসব কর্মচারিদের ক্লাব থেকে বাদ দিয়ে ভোটার তালিকা নতুন করে প্রকাশ করে নির্বাচন করার আদেশ দেন। 

বিবাদিপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিল করলে সেখানেও একই আদেশ বহাল থাকে। এবং সেই অনুযায়ী সেইসব কর্মচারিদের প্রেসক্লাবের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। এরপর সৈয়দপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ক্ষিতিশ চন্দ্র রায় কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি এলএলবি (আইন) নিয়ে পাশ করে একইসাথে ওকালতি পেশা শুরু করলে স্থানীয় দাগ’ পত্রিকায় এনিয়ে ‘টু ইন ওয়ান’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে লক্ষ্য করা গেছে, ক্ষিতিশ চন্দ্র রায় ওকালতি পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন যা’ তিনি এ প্রতিবেদকের কাছেও স্বীকার করেন। 

এখনও দীর্ঘদিন থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি সরকারি-আধা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসাবে চাকরি করার পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এনারা কোনো সরকারি নীতিমালার ধার ধারেন না। এমনকি অভিযোগ রয়েছে এরকম ব্যক্তিরা যেসব সংবাদ মাধ্যমে কাজ করেন সেখানে তাদের চাকরির তথ্য গোপন রেখে আবেদন করে সাংবাদিকের কাজ করছেন। 

আবার আরো লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এনাদের ক’জন চাকরি করার তথ্য গোপন করে স্থানীয় পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদক সেজেছেন। কেউবা আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও’তে লোগো লাগিয়ে ফেসবুকে ভিডিও’ সংবাদও প্রকাশ করে চলেছেন। নিজ-নিজ লোগো লাগিয়ে এলাকায় এখন বেশ কয়েকটি ফেসবুক চ্যানেলে খবরসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামের টেলিকাস্টও দেখানো শুরু করেছেন। 

তাদের এসব কাজ-কারবারে স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠেছে এনারা কর্মচারি না সাংবাদিক ? এনারা কিভাবে পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদক সেজেছেন ? আর কিভাবেই বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ প্রতিষ্ঠানের লোগো লাগিয়ে খবর প্রচার ও বিভিন্ন প্রোগ্রামের টেলিকাস্ট দেখাচ্ছেন। 

তাছাড়া, অভিযোগ রয়েছে, এনারা টাকার বিনিময়ে সংবাদ সম্মেলন, বিভিন্ন শপিংমলসহ দোকান ওপেনিংয়ের খবরসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামের টেলিকাস্ট করেন। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতারসহ বিভিন্ন দূর্ঘটনার খবরও প্রকাশ করেন। এনাদের আবার কয়েকজন প্রতিনিধি বলে পরিচয়ও দিয়ে বেড়ান। তাদের নাকি পরিচয়পত্রও রয়েছে। তারা কি সরকারি আইন-কানুন মেনে এসব কাজ করছেন ? এসব প্রকাশের জন্য তাদের কি সরকারি অনুমোদন নেওয়া রয়েছে ? এমন প্রশ্ন এলাকার অনেক বোদ্ধা মহলের। 

তাছাড়া এলাকাবাসী লক্ষ্য করে আসছেন, এনাদের সাথেই বা কেনো প্রশাসনের লোকজনদের এতো ক্ষাতির ? এমনও বেশ কয়েকজন রয়েছেন এনারা আবার মোটর-সাইকেলে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ান। অবশ্য সংবাদ সংগ্রহে বেড়ানো স্বাভাবিক। 

তবে, অভিযোগ রয়েছে এনারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের যেসব কাজ করবার কথা তারা যেনো নিজেই কর্মকর্তা এমন ভাব দেখিয়ে চলেন। এমন ক’জনের ভিডিও’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লোকজন দেখেছেন। এমনও ক’জন রয়েছেন আগে সংবাদকর্মি ছিলেন কিন্তু, এখন কোনো পরিচয়পত্র ও নিয়োগপত্রও নেই। 

আবার কারো পরিচয়পত্র থাকলেও নিয়োগপত্র নেই। এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখা উচিত বলে মত পোষন করছেন এলাকার বোদ্ধামহল।

স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের সাংবাদিকতা করার ব্যাপার নিয়ে মোবাইল ফোনে দিনাজপুর শিক্ষা বেেির্ডর চেয়ারম্যান ড, ইলিয়াস হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সার্ভিস রুল অনুযায়ী তারা সাংবাদিকতা করতে পারেন না। এ ব্যাপারে অভিযোগ দিলে বিশেষ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

চাকরিজীবিরা সাংবাদিকতা করতে পারবেন কি-না ? এবং ফেষবুক ভিত্তিক ভিডিও’ চ্যানেলের ব্যাপারে কথা বলার জন্য নীলফামারী জেলা প্রশাসকের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাহ ফাতেহা তাকমিলার সাথে এসব ব্যাপারে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো। 

ঢাকা ইনফো২৪

ঢাকা ইনফো২৪ (DhakaInfo24) একটি বাংলাদেশভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে সর্বশেষ ব্রেকিং নিউজ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ, রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক আপডেট নিয়মিত প্রকাশ করা হয়।দ্রুত, নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রদানই ঢাকা ইনফো২৪-এর মূল লক্ষ্য। আধুনিক সাংবাদিকতার মান বজায় রেখে পাঠকদের জন্য সর্বশেষ খবর সহজ ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

📰 ঢাকা ইনফো২৪

দেশ-বিদেশের সর্বশেষ খবর, প্রবাসীদের তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

আরও পড়ুন
`);w.document.close();setTimeout(function () { w.focus(); w.print(); }, 500);});});