ইরান,আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারনে মুকসুদপুর উপজেলায় দেখা দিয়েছে তেলের সংকট। মুকসুদপুর উপজেলায় মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন এবং মা ফিলিং স্টেশন নামে ৩টি পাম্প হয়েছে।
বর্তমান কোন পাম্পেই পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে। বিগত দিনে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে দোকান গুলোতে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রয় করতে দেখা গেল বর্তমানে সেখানো পাওয়া যাচ্ছে না। দুই একটি দোকানে খুব গোপনে বিত্রুয় করলেও দাম নিচ্ছে ২৫০/৩০০ টাকা। মোটর সাইকেল ও প্রাইভেট কার গাড়ীর মালিকরা পড়েছে মহা বিপদে। এলাকার চাকুরিজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীরা তেলের অভাবে কর্মস্থলে গাড়ি ব্যবহার করতে পারছে না। মুকসুদপুর উপজেলায় প্রতিদিন রাস্তায় শত শত মোটর সাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচল করতে দেখা গেলও বর্তমানে রাস্তায় গাড়ি চলাচলের সংখ্যা খুবই কম দেখা যাচ্ছে। গ্রাম গঞ্জের প্রতিটি মানুষের মুখে এখন সোনার হরিণ চেয়েও দামী সম্পদ পেট্রোল ও অকটেন বলে আলোচনা হচ্ছে।
সরেজমিনে করে দেখা যায় দুইটি একটি পাম্পে রাত ৮ টার পরে মটর সাইকেলে ২০০ টাকার করে কিছু গাড়ীতে পেট্রোল ও অকটেন দিয়েই বলে শেষ হয়ে গেছে। আর তেল নাই।
এই ব্যাপারে পাম্প কর্মরত সংশ্লিষ্ট লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান ডিপো থেকে চাহিদা মোতাবেক ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন দিচ্ছে না বিধায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের এই পরিস্থিতিতে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির উপজেলার বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিদিনই ফিলিং স্টেশন গুলোতে তদারিক করছেন। উপজেলার হাট- বাজারের তেল ব্যবসায়ীদের তদারিক করেছেন। কয়েকটি দোকানদার তেল মজুদ রাখার অপরাধে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ আশিক কবির ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড করেছেন।
স্থানীয় লোকজন সাথে আলাপকালে তারা জানান, ইরান,আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারনে
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনস্থানে তেল মজুদ রেখে বেশী মুনাফার আশায় এধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছেন।
