ষড়যন্ত্রমূলক মামলার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম (ভিজিট : ০)

X
সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে ২০১৯ সালে অব্যাহতি পাওয়ার পর দলের সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছর কোনো সম্পর্ক নেই। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ আওয়ামী লীগের পতনের পর রাজনৈতিক ‘ট্যাগ’ ব্যবহার করে তাঁকে ধারাবাহিকভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান।
শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, ছাত্রজীবন থেকে তিনি ছাত্রলীগ ও যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তবে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ২ মে তিনি স্বেচ্ছায় দল থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। একই বছরের ২৯ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাঁকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। অথচ একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে ‘আওয়ামী ট্যাগ’ দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করছে। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁর নামে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় ১৭ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৫ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান। কিন্তু সেই হয়রানি এখনো থামেনি; চলতি বছরের ২৩ জুন তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ তাঁকে ভালোবেসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। তিনি আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চান না। ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে থাকতে চান। যারা চেয়ারম্যান পদটির প্রতি লোভাতুর, তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে লোক লেলিয়ে দিয়ে এসব মিথ্যা মামলা করাচ্ছে বলে তিনি ধারণা করছেন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মো. হাবিবুর রহমান খান জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তি এবং বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জোর দাবি জানান।