
সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে একের পর এক আক্রমণ করেও গোলের দেখা পেল না তুরস্ক। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে শেষ পর্যন্ত প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। এই পরাজয়ে নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে গেছে তুর্কিদের।
শনিবার (২০ জুন) সান ফ্রান্সিসকোর বে অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতেই এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। খেলা শুরুর মাত্র ৬৪ সেকেন্ডের মাথায় দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করেন মাতিয়াস গালারজা। তার এই গোলই পরে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
প্রথম গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। বল দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে ব্যর্থ হয় তাদের ফরোয়ার্ডরা। একাধিক নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট হওয়ায় হতাশ হতে হয় দলটিকে।
ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষদিকে প্যারাগুয়ের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দশজনের দলে পরিণত হয় দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিনিধিরা।
একজন কম নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি রক্ষণাত্মক কৌশল নেয় প্যারাগুয়ে। তুরস্ক বারবার আক্রমণে গেলেও সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত দশজন নিয়েও লিড ধরে রাখতে সক্ষম হয় প্যারাগুয়ে।
এই গুরুত্বপূর্ণ জয়ে নকআউট পর্বে খেলার আশা জিইয়ে রাখল প্যারাগুয়ে। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। অন্যদিকে টানা দুই পরাজয়ে তুরস্কের সামনে এখন কার্যত বিদায়ের শঙ্কা। শেষ ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি অন্য ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে তাদের।
দ্রুততম গোল, লাল কার্ড এবং তুরস্কের একের পর এক সুযোগ নষ্ট-সব মিলিয়ে নাটকীয় এই ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে প্যারাগুয়েই।