
শেষ দেখা নিশ্চিত করল কারা কর্তৃপক্ষ
কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা হাজতি নং–১৪৬০৭/২৬ মোঃ জনি আলী (৩২)-এর জীবনে নেমে এসেছে গভীর শোক। নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোঃ জনি আলীর স্ত্রী শারমিন গত ১৮ তারিখ সন্তান প্রসব করেন। তবে জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই নবজাতক শিশুটি মারা যায়। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ তারিখ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় গ্রহণ করা হয়। কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জনাব ফারুক আহমেদ বিষয়টি কারা মহাপরিদর্শকের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে কারা মহাপরিদর্শকের নির্দেশনায় হাজতি মোঃ জনি আলীকে তার মৃত স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
এ মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার, ডেপুটি জেলার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সহযোগিতা করেন।
স্ত্রী ও সন্তান হারিয়ে শোকাহত মোঃ জনি আলী বলেন, “আমি আমার মৃত স্ত্রী ও সন্তানের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আমার দুটি ছেলে রয়েছে, তাদের আমি ছাড়া আর কেউ নেই।”
কারা সূত্র জানায়, বন্দীর পারিবারিক এই শোকাবহ পরিস্থিতিতে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।